তারাবি না পড়লে রোজা হবে কি?

রমজান মাস হল মুসলমানদের জন্য বছরের সবচেয়ে পবিত্র একটি মাস। এই মাসে মুসলমানদের জন্য রোজাকে ফরজ করা হয়েছে। তবে অনেক ভাই ও বোন প্রশ্ন করে থাকেন রমজান মাসে রোজা করলে যদি তারাবি নামাজ না পড়ি অথবা তারাবি নামাজ ছুটে গেলে রোজা কি হবে। তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই যদি কোন কারণবশত তারাবি ছুটে যায় বা পড়তে না পারেন তাহলে আপনার রোজা হয়ে যাবে।

তারাবি-না-পড়লে-রোজা-হবে-কি

কারণ তারাবির নামাজ আমাদের জন্য ফরজ করা হয়নি। কিন্তু তারাবির নামাজ মুসলমানদের জন্য সুন্নতে মুয়াক্কাদা কেফায়া অর্থাৎ অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটু সুন্নাত। তাই বিনা কারণে তারাবির নামাজ ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। আপনি যদি এ বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে জানতে চান তাহলে আমাদের এই আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়ুন।  

পোস্ট সূচিপত্রঃ তারাবি না পড়লে রোজা হবে কি 

তারাবি না পড়লে রোজা হবে কি

অনেক ধর্মপ্রাণ মুসলিম ভাই ও বোনেরা প্রশ্ন করে থাকেন তারাবি না পড়লে রোজা হবে কি? এবং তারাবি কত রাকাত পড়তে হবে? আর যারা তারাবি ৮ রাকাত অথবা ১০ রাকাত পড়ে চলে যায় তাদের কি তারাবির নামাজ আদায় হবে? এই প্রশ্নের উত্তর হল: মহান আল্লাহ তায়ালা রমজান মাসের দিনের বেলা সাওম পালন করা ফরজ করেছেন।
পবিত্র মহাগ্রন্থ আল কুরআনের সূরা বাকারার ১৮৩ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ তা'আলা বলেন "হে ঈমানদারগণ তোমাদের উপর সাওম ফরজ করা হয়েছে। যেভাবে ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো। সূরা বাকারার এই আয়াতে মহান আল্লাহ তায়ালা সুস্পষ্টভাবে সাওম পালন করা মুসলমানদের জন্য ফরজ করে দিয়েছেন। যারা প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমান, যাদের মানসিক ও শারীরিক কোন রোগ নেই, এবং যারা রোজার মাসে সফর করে থাকেন না তাদের জন্য রোজা পালন করা ফরজ।

মহান আল্লাহতালার নামে নিয়ত করে সুবহে সাদিক থেকে শুরু করে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও যৌনাচার এবং যাবতীয় অশ্লীল কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। আর এটি হচ্ছে রোজা বা সাওম। আর রোজার মাসে মুসলমানদের অধিক সওয়াবের ইবাদত হচ্ছে তারাবির নামাজ পড়া। রাতের ইবাদত গুলোর মধ্যে এশার নামাজ পড়া ফরজ। বিতর নামাজ পড়া ওয়াজিব, এরপর অন্যান্য নফল নামাজ পড়ার সুযোগ থাকলে পড়বেন।

তবে আপনার যদি কোন কারণবশত তারাবি ছুটে যায় বা পড়তে না পারেন তাহলে আপনি অনেক বড় সওয়াবের ভাগীদার থেকে বঞ্চিত হলেন। তবে আপনার রোজা হয়ে যাবে। কিন্তু তারাবির নামাজ যেহেতু সুন্নতে মুয়াক্কাদা কেফায়া অর্থাৎ খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত তাই এটি মিস করা আপনার জন্য উচিত নয়। নিচে আমরা তারাবির নামাজ আট রাকাত নাকি ২০ রাকাত পড়তে হবে সে বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করব আপনি যদি সে বিষয়ে জানতে চান তাহলে পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ুন। 

তারাবির নামাজ কত রাকাত

তারাবির নামাজ আট রাকাত পড়তে হবে নাকি ২০ রাকাত পড়তে হবে এ বিষয়ে বিভিন্ন হাদিস বর্ণিত হয়েছে যে হাদিসগুলোতে আট রাকাত এবং বিশ রাকাত উভয়ই বর্ণনা করা রয়েছে। তবে তারাবির নামাজ আট রাকাত নাকি ২০ রাকাত সেটা মুখ্য বিষয় নয় মূল বিষয় হচ্ছে আপনি কত সময় ধরে এবং কত সুন্দর ভাবে এই সালাত আদায় করেছেন।

বর্তমানে আমাদের দেশে যেভাবে খুব দ্রুততার সাথে কেরাত করে তারাবির আদায় করা হয় তা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নই বরং এটি সুন্নতের বিপরীত পন্থী। তবে রাকাতের সংখ্যা বলতে গেলে এটি একটি মতবিরোধপূর্ণ মাসালা। কেউ বলেছেন তারাবি ৪১ রাকাত তার মধ্যে 38 রাকাত তারাবি এবং তিন রাকাত বিতর মোট ৪১ রাকাত।
আবার কেউ বলেছেন ২৩ রাকাত এর মধ্যে ২০ রাকাত তারাবির ও তিন রাকাত বিতর। আবার কারো মতে ১৩ রাকাত এর মধ্যে ১০ রাকাত তারাবি এবং তিন রাকাত বেতর।আবার কেউ বলেছেন তারাবির নামাজ ১১ রাকাত এর মধ্যে তিন রাকাত বেতর এবং আট রাকাত তারাবি। তারাবির নামাজ ৮ রাকাত এর সম্পর্কে কয়েকটি বিখ্যাত হাদিস নিচে বর্ণনা করা হলোঃ 
  • আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর রাতের সালাত ছিল ১৩ রাকাত। (বুখারী হাদিস নম্বর ১১৩৮, মুসলিম ৭৬৪।
  • অন্য একটি হাদিসে মা আয়েশা রাঃ বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রামাদান ও অন্য সময়ে আর রাতে 11 রাকাতের বেশি সালাত আদায় করতেন না। এর মধ্যে তারাবি আট রাকাত এবং বেতর তিন রাকাত। হাদিস নম্বর বুখারী ২০১৩, মুসলিম ৭৩৮। 
  • ইবনে ইয়াজীদ রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বলেনঃ ওমর ইবনে খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু তার দুই সঙ্গী সাহাবী উবাই ইবনে কাব তামিম আদদারিকে এই মরমে নির্দেশ দেন যে, তারা যেন লোকদের কে নিয়ে রমজানের রাতে ১১ রাকাত তারাবির সালাত আদায় করেন। মুয়াত্তা মালেক হাদিস নম্বর ১/১৫
  • তারাবির নামাজ ২০ রাকাত সম্পর্কিত হাদিস হলোঃ মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক হতে বর্ণিত; ওমর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু উবাই ইবনে কাব ও তামিম আদদারিকে লোকদেরকে একুশ রাকাত সালাতের জন্য জামাতবদ্ধ করেছিলেন। ২০ রাকাত তারাবি এবং এক রাকাত বিতর। হাদিস নম্বর ৭৭৩০।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ সৌদি আরবের মসজিদগুলোতে তারাবির ও বিতর মিলে ১১ অথবা ১৩ রাকাত নামাজ আদায় করা হলেও মক্কার হারামে ও মদিনার মসজিদে নববীতে তারাবি ২০ রাকাত এবং বেতর তিন রাকাত মোট ২৩ রাকাত নামাজ পড়ে থাকেন।

তারাবির নামাজের মূল বিষয় হচ্ছে লম্বা কিয়ামে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করা। তবে আমাদের দেশে দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য সালাতের রাকাত সংখ্যা নিয়ে অনেক মতো বিরোধ দেখা যায়। এবং কোন কোন জায়গায় ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত হতেও দেখা যায়। তবে তারাবির রাকাত আট থেকে ২০ এটা নিয়ে বিভেদ সৃষ্টির কোন অবকাশ নেই। মূল বিষয় হচ্ছে আপনি কত সুন্দর ভাবে এবং কত সময় ধরে তারাবির সালাত আদায় করছেন।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর রমজান মাসের রাতের আট রাকাত সালাত আদায় করতে দীর্ঘক্ষণ সময় লাগতো। আমাদের দেশে খুব দ্রুততার সাথে খতমে তারাবি পড়ানো হয় , এতে কেরাত শুদ্ধ হয় না যার কারণে আপনার নেকির পরিবর্তে গুনাহ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।  রাসুল সাঃ তারাবির নামাজ কত রাকাত তা আমাদের জন্য ফিক্সড করে দেন নাই তাই এটা নিয়ে বাড়াবাড়ি করা উচিত নয়। আশা করি আপনি পুরো বিষয়টি ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন। 

তারাবির নামাজ পড়ার নিয়ম 

তারাবি আরবি শব্দ এর আভিধানিক অর্থ হচ্ছে আরাম, প্রশান্তি অর্জন, বিরতি দেওয়া, বিশ্রাম নেওয়া ইত্যাদি। পবিত্র রমজান মাসে সকল মুসলমানদের জন্য তারাবির নামাজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত। বাংলাদেশের আকাশে যেদিন থেকে রমজান মাসের চাঁদ আকাশে দেখা যাবে সেইদিন থেকে চাঁদ ডুবা পর্যন্ত অর্থাৎ পুরো একমাস তারাবির নামাজ আদায় করতে হবে। 

তারাবি না পড়লে আপনার গুনাহ হবে না কিন্তু এটি সুন্নতে মুয়াক্কাদা কেফায়া অর্থাৎ খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত হওয়ায় যদি কারণ বশত আপনি তারাবির নামাজ আদায় না করেন তাহলে আপনি সউ সাওয়াব থেকে বঞ্চিত হবেন।তাই ইচ্ছাকৃতভাবে কোন মুসলিমের জন্য তারাবির নামাজ ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। বর্তমানে বাংলাদেশে দুই ধরনের তারাবি প্রচলিত রয়েছে। 

একটি হচ্ছে খতম তারাবি আর অন্যটি হচ্ছে সূরা তারাবি। খতম তারাবি হচ্ছে, রমজান মাসে তারাবির নামাজে সম্পূর্ণ কোরআন তেলাওয়াত করা। আর সূরা তারাবি হচ্ছে সূরা ফাতিহার পরে যে কোন সূরা দিয়ে তারাবির নামাজ পড়ানো। রমজান মাসের তারাবির নামাজের সঠিক নিয়ম হচ্ছে প্রথমে এশারের চার রাকাত নামাজ আদায় করতে হবে এরপর দুই রাকাত সুন্নত নামাজ আদায় করতে হবে।
এবং বেতর নামাজের পূর্বে আপনাকে তারাবির আট রাকাত অথবা ২০ রাকাত নামাজ আদায় করতে হবে। তারপর তিন রাকাত বা এক রাকাত বেতর নামাজ পড়তে হবে। তারাবির প্রতি দুই রাকাত পর সালাম ফিরাতে হবে। এভাবে যদি ৮ রাকাত নামাজ পড়েন তাহলে চারবার সালাম ফেরাতে হবে এবং আপনি যদি ২০ রাকাত তারাবির নামাজ আদায় করেন তাহলে আপনাকে দশবার সালাম ফিরাইতে হবে।

ফরজ নামাজ ব্যতীত অন্যান্য নামাজগুলো নিজে নিজে আদায় করা সর্বোত্তম। তবে তারাবির নামাজ জামাতের সাথে আদায় করা সর্বাপেক্ষা উত্তম। তাই সবসময় চেষ্টা করবেন জামাতের সাথে তারাবির নামাজ আদায় করার জন্য। কারণ আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ জামাতের সাথে তারাবির নামাজ আদায় করতেন। আশা করি আপনি তারাবির নামাজ আদায় করার নিয়ম সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।

তারাবির নামাজের দোয়া সমূহ

অনেক ভাই ও বোন প্রশ্ন করে থাকেন তারাবির নামাজে কোন দোয়া গুলো পড়তে হয়? রমজান মাসে অন্য যেকোনো মাসের তুলনায় নেকি বেশি দেওয়া হয় তাই সবাই চাই এই রমজান মাসে বেশি বেশি আল্লাহর এবাদত বন্দেগীতে মসগুল থাকার জন্য। তাই তারাবির নামাজ আপনি যদি সঠিকভাবে আদায় করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে তারাবি নামাজের জন্য কোন দোয়াগুলো জানা জরুরি সে সম্পর্কে জানতে হবে। তারাবির নামাজে বিশেষ করে চার রাকাত পর পর যে দোয়াটি পড়া হয় সেটি নিচে দেওয়া হলঃ
বাংলা উচ্চারণঃ সুবহানাজিল মুলকি ওয়াল মালাকুতি, সুবহানাজিল ইজ্জাতি, ওয়াল আজমাতি, ওয়াল হাই বাতি, ওয়াল কুদরতি, ওয়াল কিবরিয়াই, ওয়াল জাবারুত।সুবহানাল্ মালিকিল, হাই ইল্লাযি, লা- ইয়ানামু, ওয়ালা ইয়া মুতু আবাদান আবাদা। সুব্বুহুন কুদ্দুসুন রব্বানা ওয়া  রব্বুল মালাইকাতি ওয়ার রূহ। 

তারাবি সম্পর্কিত সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর (FAQ)

প্রশ্নঃ তারাবির নামাজের সময় কতক্ষণ?

উত্তরঃ তারাবির নামাজের সময় এশার নামাজের পর থেকে ফজর নামাজের পূর্ব পর্যন্ত তারাবির নামাজ পড়া বৈধ।

প্রশ্নঃ তারাবির নামাজ একা একা পড়লে কি হবে?

উত্তরঃ ফরজ নামাজ ব্যতীত সকল নামাজ একা একা পড়া সর্বোত্তম। তবে এক্ষেত্রে তারাবির নামাজ ব্যতিক্রম। জামাতের সাথে তারাবির নামাজ পড়া সর্বাপেক্ষা উত্তম। তবে একা একা পড়লেও হয়ে যাবে।

প্রশ্নঃ তারাবির নামাজ ৮ রাকাত নাকি ২০ রাকাত

উত্তরঃ কিছু বর্ণনায় বলা হয়েছে তারাবির নামাজ আট রাকাত আবার কিছু কিছু বর্ণ নাই বলা হয়েছে তারাবির নামাজ ১২ বা ২০ রাকাত। 

তারাবির নামাজের মোনাজাত

তারাবির নামাজের মোনাজাতে কোন দোয়া গুলো পাঠ করতে হয় সেগুলো জানার জন্য অনেকেই গুগলে সার্চ করে থাকেন। মূলত তাদের জানানোর উদ্দেশ্যেই আমাদের আজকের এই পোস্টটি। আপনিও যদি এ বিষয়ে জানতে চান তাহলে আর্টিকেলের এই অংশটুকু সহকারে পড়তে থাকুন।

দীর্ঘ এক বছর পর আমরা পবিত্র মাহে রমজান ফিরে পাই। তাই আমাদের সকলেরই উচিত এই মাসটিতে বেশি বেশি আল্লাহর ইবাদত করা। আর যেহেতু তারাবির নামাজ শুধুমাত্র রমজান মাসেই পড়তে হয় তাই তারাবির নামাজের মোনাজাত সম্পর্কে আপনার জ্ঞান থাকা আবশ্যক। নিচে তারাবির নামাজের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মোনাজাত দেওয়া হলঃ
তারাবির নামাজের মোনাজাত বাংলা উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকাল জান্নাতা ওয়া নাউজুবিকা মিনার নার। ইয়া খালিকাল জান্নাতি ওয়ান নার। বিরহমাতিকা ইয়া আজিজু, ইয়া গাফফার, ইয়া কারিমু, ইয়া সাত্তার, ইয়া রাহিমু, ইয়া জাব্বার, ইয়া খালিকু, ইয়া বাররু।আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার ইয়া মুজিরু, ইয়ে মুজিরু, ইয়া মুজির। বিরহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমীন।

লেখকের মন্তব্যঃ তারাবি না পড়লে রোজা হবে কি? 

আজকের এই আর্টিকেলে আমরা তারাবি না পড়লে রোজা হবে কি না এবং তারাবির নামাজের নিয়ম তারাবির নামাজ কত রাকাত এবং তারাবির নামাজের মোনাজাত সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।আশা করি আজকের এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি উপকৃত হয়েছেন। তারাবি সম্পর্কিত আরো কোন প্রশ্ন জানতে চাইলে আপনি নির্দ্বিধায় কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করতে পারেন।

আমরা আপনার প্রশ্নের যথার্থ উত্তর দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ। আর এরকম আরো তথ্যবহুল আর্টিকেল পেতে আমাদের PROTECHTUTOR.COM ওয়েব সাইটের সাথে থাকুন। আর এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি উপকৃত হয়ে থাকলে আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে দিন যাতে তারাও উপকৃত হতে পারে। ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, আল্লাহ হাফেজ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন